Posts

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অগ্রগামী শহীদদের নাম ও পরিচিতিঃ

Image
  ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে অগ্রগামী শহীদদের নাম ও পরিচিতিঃ বাংলার ইতিহাসে বাঙালির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি গৌরবোজ্জ্বল ঘটনা হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে আমরা এই দুটি মহান আন্দোলনে বিজয়ী হয়েছি। আজ সেই মহান ফেব্রুয়ারি মাস। ১৯৫২ - এর মহান ভাষা আন্দোলনে এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে শরিক হয়েছিলেন। একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা সবাই শহীদ মিনারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করি। সবাই একত্রিত হয়ে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই , কিন্তু অনেকেই আমরা জানি না ১৯৫২ - এর একুশে ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের গুলিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কতজন ছাত্র ও জনতা প্রাণ দিয়েছিলেন। এটা অবশ্যই আমাদের সবার জানার দরকার রয়েছে। আমাদের বাঙালির ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় , বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে সে সময় কতজন শহীদ হয়েছিলেন তা সঠিকভাবে বলা আজ কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ার...

বাংলাদেশের মতো দেশে মাইক্রো ক্রেডিটের কুফল ও অসুবিধা

Image
  ভূমিকা বাংলাদেশকে প্রায়শই ক্ষুদ্রঋণের জনক দেশ বলা হয়ে থাকে। আশির দশকের শেষদিকে এবং নব্বইয়ের দশকে মাইক্রো ক্রেডিট বা ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য বিমোচনের নতুন মডেল হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশকে ক্ষুদ্রঋণের পরীক্ষাগার বলা হতো , আর নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির কারণে এটি আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ক্ষুদ্রঋণের ধারণা ছিল এমন — দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের হাতে অল্প কিছু মূলধন তুলে দিলে তারা ক্ষুদ্র ব্যবসা বা উৎপাদনমুখী কাজে তা ব্যবহার করে আয় বাড়াতে পারবে এবং দারিদ্র্যের শেকল ভাঙতে সক্ষম হবে। প্রথমদিকে এটি অনেক মানুষের মাঝে আশার আলো জ্বালালেও দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতায় দেখা যায় , মাইক্রো ক্রেডিট প্রত্যাশিত সুফল আনতে পারেনি। বরং বহু ক্ষেত্রেই এটি নতুন ধরনের কুফল তৈরি করেছে , যা ব্যক্তি , পরিবার , সমাজ ও রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।    উচ্চ সুদের বোঝা ও ঋণজাল বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ সাধারণত দরি...