গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার মা বোনদের প্রতি বিনীত অনুরোধঃ
গোলাপগঞ্জ
পৌর এলাকার মা বোনদের প্রতি
বিনীত অনুরোধঃ
আসসালামু
আলাইকুম। করোনা মহামারির এই সময় পৌর
নির্বাচন আসলেই উদ্বেগের বিষয়। তবু নির্বাচন যখন করতে হবে, যোগ্য প্রার্থী দেখে পক্ষ নিন। আমি অধমকে আপনার অনেকেই চিনবেন না আর আমিও
চিনি না। তবে আমি আপনাদের ভাই, ভাতিজা, ভাগনা, চাচা যেকোনো কিছু হতে পারি। আমি জানি আমার বিশাল জ্ঞাতি গোষ্ঠী। আমার বাবা মা উভয়ের বাড়ি
একই এলাকায় হওয়ায় দাদা, নানা, চাচা ও মামাদের অভাব
নেই। দাদা নানারা সবাই অনেক আগেই পৃথিবী ছেড়েছেন। বাবা চাচারাও অনেকে নেই। আমার বাবা চাভা ছয় জনের কেউ
বেঁচে নেই। দুই ফুফুর একজনমাত্র বেঁচে আছেন। তাকেও অনেকদিন দেখিনি বা সুযোগ পাইনি।
সংসার হয়ে গেলে যা হয় এই
আর কি! আমি নিশ্চিত যে, পিতৃ-মাতৃ পরিচয়ে সবার
বাড়িতে একবার যেতে পারলে আরো বিপুল ভোটে আমার সমর্থিত প্রার্থীকে জয়ী করতে পারতাম।
ভোট
প্রদান করা রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত আপনার রাজনৈতিক অধিকারের বিপরীতে আপনার কর্তব্য। এই কর্তব্যের খাতিরে
আগামী ৩০ জানুয়ারী ভোট
কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা আপনার নৈতিক দায়িত্ব। আমি জানি আপনাদের সিঙ্ঘভাগের সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে পরিচিতি নেই। যা আছে শুধু
পারিবারিক প্রয়োজনে। তাই আমার এ লেখা খুব
কম সংখ্যকদের কাছে পৌছাবে।
আপনারা
মায়ের জাত। আর এই মা
জাতির প্রতি আমি অধমের অগাধ শ্রদ্ধা ও সম্মানবোধ রয়েছে।
খুব সম্ভব আমার মায়ের দোয়াই আমি অনেক অনেক ভাল আছি সবদিকে, সম্ভব সবভাবে। একজন মা তার সন্তনের
জন্য করতে পারেনা এমন কোনো কাজ নেই। আরো একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আপনাদের। মানুষকে খুব সহজে বিশ্বাস করা। আর আপনাদের এই
সরলতার সুযোগ নিয়ে অনেক পরিচিত অপরিচিত জনের ভুল বুঝিয়ে ভুল প্রার্থীকে ভোট দিতে প্ররোচিত করে। তাই প্রায়শই অযোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচনে জিতে যায় এবং পরে নানা অনিয়ম করে। আবার নির্বাচন আসে এবং এভাবে আবারো আপনারা প্রতারিত হন যোগ্য প্রার্থী
নির্বাচনে। এবার যাতে অমনটি না হয়, এজন্য
আমার এই প্রয়াস।
বাংলাদেশের
সরকার প্রধান একজন মহিলা, একজন গর্বিত মা, একজন দক্ষ শাসক, একজন দৃঢ়চেতা নেত্রী, একজন অকুতোভয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি হচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আর এই দৃঢ়চেতা
ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী আপনারদেরকে তার দল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে পাঠিয়েছেন। ছয় জন প্রার্থীর
মধ্যে আমার ছোট ভাই রুহেল আহমদকে তিনি নৌকা যেজন্য দিয়েছেন, রুহেল শিক্ষিত, মার্জিত ও ভদ্র রাজনীতিবিদ,
দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ একজন কর্মী। তার মাঝে সদ্গুনাবলী এবং আল্লাহর রহমত আছে বলেই সে নৌকা প্রতীক
নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পেয়েছে। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতায় সে
অনেকদুর এগিয়ে যেতে পারে। আপনারা পেতে পারেন একজন যোগ্য মেয়র। নৌকার প্রার্থী নির্বাচিত হলে আপনাদের জন্য নিশ্চিতঃ
বখাটেমুক্ত
পৌরশহর।
বর্জ্য
ও আবর্জনামুক্ত পৌরশহর।
সুবিন্যস্ত
বাজার ব্যবস্থা।
আধুনিক
ট্রাফিকিং এর মাধ্যমে যানজট্মুক্ত
পৌরশহর।
আধুনিক
প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ওয়াটার প্লান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জল।
সুদৃঢ়
সামাজিক নিরাপত্তা।
সুষম
অর্থনৈতিক বন্টন।
নারী
নির্যাতন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ।
সম্পুর্ণ
মাদক্মুক্ত পৌরসভা।
শিক্ষায়
সমানাধিকার। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক নয়, ধর্মীয় শিক্ষাও বটে।
অখন্ড
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি।
সর্বোপরি
শহুরে নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে যা
করণীয়, বাংলাদেশ সরকারের সয়ায়তায় তা সম্পুর্ণ বাস্তবায়নসহ
‘ক’ ক্যাটাগরির পৌরসভার সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তাই
আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ একটিবার, মাত্র একটি নৌকা মার্কার পক্ষে আপনাদের রায় দিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন। যদি কথা ও কাজে মিল
না থাকে তবে এই জীবনে আর
আপনাদের কাছে ভোট চাইব না।
জয়
বাংলা। শুভ হোক আমার বাংলার, শুভ হোক গোলাপগঞ্জ পৌরসভার।
বিনীত
মিজানুর
রহমান

Comments
Post a Comment